আলইতকান ফী তাওহীদ আর রহমান

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সূচীপত্রের কিছু অংশ

(১)    একজন ব্যক্তি কিভাবে মুসলিম হিসাবে গণ্য হয়

১.(ক)  এ সম্পর্কে জানার প্রয়োজনীয়তা:

১.(খ)  মূলত তিনটি উপায়ে একজন কাফির ইসলামে দাখিল হয়।

১.খ.(১) মুখে বা কাজে কর্মে ইসলামের স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে।

১.খ.(২) মুসলিম পিতা মাতার ঔরসে জন্ম নেওয়ার মাধ্যমে।

১.খ.(৩) যুদ্ধে বন্দি হওয়ার মাধ্যমে।

(২)    উপসংহার

২.(ক)কালেমা পাঠ করা সত্ত্বেও কেউ কাফির হতে পারে কি?

২.(খ)  কাফিরদের মুসলিম হতে বাধ্য করা যায় কি?

(১)    পূর্ব কথা

১.(ক)  ঈমান আনার পর বা মুসলিম হওয়ার পর একজন ব্যক্তি কি আবার কাফিরে পরিনত হতে পারে?

১.(খ)  বাহ্যিকভাবে পরহেজগার মনে হয় এমন ব্যক্তিও কাফির হতে পারে।

১.(গ)  ঈমান ভঙ্গের কারণ সম্পর্কে জানার গুরুত্ব।

(২)    ঈমান ভঙ্গের কারণ সম্পর্কিত চারটি মূলনীতি।

২.(ক)ঈমান ভঙ্গের প্রথম কারণ (عبادة غير الله) তথা গয়রুল্লাহর ইবাদত করা।

২.ক.(১) ভাষাভিত্তিক অর্থ চুড়ান্ত নয়।

২.ক.(২) আল্লাহর ইবাদত ও গয়রুল্লাহর ইবাদত একই বিষয়কে বোঝায় না।

২.ক.(৩) কিছু প্রশ্নের জবাব।

২.ক.(৪) তাবাররুক ও তাওয়াস্‌সুলের সঠিক বিধান

২.ক.(৫) উপসংহার

২.(খ)  ঈমান ভঙ্গের দ্বিতীয় কারণ ”আল-ইনকার” (الانكار) তথা আল্লাহর দ্বীনের কোনো অংশকে অস্বীকার বা অপছন্দ করা।

২.খ.(১) ‘ইনকার’ (اَلْاِنْكَارُ) বলতে তিনটি বিষয়কে বোঝায়?

২.(গ)  ঈমান ভঙ্গের তৃতীয় কারণ (الاستهزاء بالدين) তথা আল্লাহর দ্বীন সম্পর্কিত কোনো বিষয় নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্ল ও তামাশা করা।

২.গ.(১) আল্লাহর দ্বীনের ব্যাপারে কোনো অসম্মানজনক শব্দ প্রয়োগ করা বা অসঙ্গত আচরণ করা।

২.গ.(২) আল্লাহর দ্বীনকে অসঙ্গত স্থানে প্রয়োগ করা।

২.গ.(৩) আল্লাহর দ্বীনকে অবজ্ঞা ও অবহেলা করা।

২.(ঘ)  ঈমান ভঙ্গের চতুর্থ কারণ (الرضا بالكفر) তথা শিরক-কুফরের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করা।

(৩)    উপসংহার

৩.(ক)তাওহীদের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু শব্দের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা।

৩.ক.(১) ইবাদত

৩.ক.(২) ইলাহ

৩.ক.(৩) রব

৩.ক.(৪) দ্বীন

৩.ক.(৫) ঈমানের শর্তাবলী

৩.ক.(৬) ঈমান ও ইসলাম

৩.ক.(৭) আনদাদ

৩.ক.(৮) তাগুত

৩.(খ)বর্তমান সময়ে প্রচলিত কুফরী মতবাদ সমূহ।

৩.খ.(১) মানবতাবাদ

৩.খ.(২) বস্তুবাদ

৩.খ.(৩) জাতীয়তাবাদ

৩.খ.(৪) গণতন্ত্র

(১)    উসুলে তাকফীর (أصول التكفير) তাকফীরের নিয়মাবলী

১.(ক)  তাকফীরের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রথম পর্যায়; অস্পষ্ট বিষয়ের উপর নির্ভর করে কাউকে তাকফীর না করা।

১.ক.(১) এমন কিছু কথা ও কাজ যা কুফরীর খুবই নিকটবর্তী কিন্তু স্পষ্ট কুফরী নয়।

১.ক.(২) মতপার্থক্যপূর্ণ বিষয়াবলীর উপর নির্ভর করে কাউকে কাফির না বলা।

১.ক.(৩) কারো কথার ব্যাখ্যা করলে যে অর্থ দাড়ায় তা উক্ত ব্যক্তির উপর প্রয়োগ করা যাবে না।

১.(খ)  স্পষ্ট কুফরীতে লিপ্ত হওয়ার পরও গ্রহণযোগ্য ওযর থাকলে কাউকে কাফির না বলা।

১.খ.(১) জাহালাত (جهالة) বা অজ্ঞতা।

১.খ.(২) ইকরাহ্‌ (الإكراه)

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

CLICK AVOBE NEXT PAGE

%d bloggers like this: